কোন দেশের হ্যাকাররা সেরা এটা বলতে গেলে তাদের কার্যক্রমের দিকে নজর দিতে হবে। জানতে হবে হ্যাকিং মানে আসলে কি। মানুষের ক্ষতি করাকে হ্যাকিং বলে না। একটি দেশের সাইবার নিরাপত্তা দেওয়াকেই হ্যাকিং বলা হয়। সাইবার এ্যাটাক থেকে নিজের দেশকে রক্ষা করাই হলো মেইন কাজ।

উপমহাদেশে শক্তি বলতে এই ৪টি দেশই আছে,বাকি দেশগুলি একপ্রকার গোনার বাইরে। ২০১২ সালের ভারত-বাংলাদেশ সাইবার ওয়ারে প্রমাণ হয়ে গেছে ভারতীয় হ্যাকারদের সামর্থ্য কতটুকু। নিঃসন্দেহে তারা যথেষ্ট এক্সপার্ট, কিন্তু বাংলাদেশী হ্যাকাররা তাদের থেকেও এক লেভেল ওপরে আছে।

অন্যদিকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে মায়ানমারে যে সাইবার হামলা চালানো হয় তাতে মায়ানমারের সাইবার স্পেসও প্রায় বিপর্যস্ত হয়ে গিয়েছিল। তাদের ক্ষমতা একেবারেই কম। পাকিস্তানের সাথে কখনো এরকম ভাবে সরাসরি সাইবার হামলা হয়নি তাই বলা যাচ্ছে না তাদের হ্যাকাররা কিরকম। তবে অল্প কিছু হামলা হয়েছে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এবং বেশিরভাগই ছিল সফল। এটা সহজেই অনুমেয় যে ভারতের হ্যাকাররা যেখানে বাংলাদেশের থেকে এখনো পিছিয়ে সেখানে পাকিস্তানের হ্যাকাররা আমাদের সাথে টেক্কা দিতে প্রস্তুত নয়।

সব মিলিয়ে হিসাব করলে দেখা যাবে উপমহাদেশে হ্যাকিং এর জগতে সবথেকে এগিয়ে আছে বাংলাদেশি হ্যাকার দল। ভারতের অবস্থানও খারাপ নয়,বরং দিন দিন উন্নতি হচ্ছে ।
Previous Post Next Post